• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

কোদাল হাতে বাঁধ নির্মাণে ছাত্রলীগ

khulnaসিসি ডেস্ক: প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষ বা বিরোধী ছাত্র সংগঠনের উপর হামলার চিত্র গণমাধ্যমে অনেক প্রকাশিত হয়েছে। নেতাকর্মীদের হাতে অস্ত্র, সেই ছবি দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে কত শিরোনাম হয়েছে তার হিসেব মেলানো হয়তো কঠিন হয়ে যাবে। বর্ণনাগুলো সরকার সমর্থিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কথা। যে সংগঠনটির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস কম বেশি সবারই জানা। সংগঠনটি মাঝপথে দিকহারা হলেও বর্তমানে অনেকটাই বদলে গেছে।
নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ তো দূরের কথা ইতিবাচক বা নেতিবাচক কোনভাবেই যেন আলোচনায় আসছে না প্রাচীন এ ছাত্র সংগঠনটি। এজন্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর নিষ্ক্রিয়তাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে পত্রিকার শিরোনামে নেতিবাচক সংবাদ বা অস্ত্র হাতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে দেখা গেলেও এবার ভিন্নরূপে আবির্ভূত হয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এবার তাদের হাতে নেই কোনো অস্ত্র, নেই নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কোন্দলের চিত্র।
যা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তবে হ্যাঁ, এটাই সত্য। হাতে কোদাল নিয়ে মাঠে নেমেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁধ রক্ষা করতে নিজেদের মাঝে বিভেদ ভুলে সবাই কোদাল হাতে মাঠে নেমেছেন একসঙ্গে।
ঘটনাটি ঘটেছে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলাতে। উপজেলাটির নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। তাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নেমেছেন কোদাল হাতে। স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ করছেন কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিনসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
বাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হয়ে গেছে। তাই স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সাধারণ জনতার সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাঁধ দেয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
এস এম মামুন সাদেক নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অভিমান করে তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ছাত্রলীগের খারাপ কাজের সমালোচনার পাশাপাশি ভাল কাজের প্রশংসা করা উচিত। এই ধারা অব্যাহত থাকুক। আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা এই নেতা-কর্মীরাই তো ছাত্রলীগের প্রাণ। স্যালুট জানাই কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সকল নেতা-কর্মীবৃন্দকে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ